স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আয়ুর্বেদ ইউনানীকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে

0
215

বিশ্বের অনেক দেশ তাদের নিজ নিজ দেশজ চিকিৎসার প্রতি আগ্রহী হলেও আমরা এর ব্যাপক ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে আছি। দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে গবেষণার মাধ্যমে হাজার বছরের প্রাচীন দেশজ চিকিৎসা আয়ুর্বেদ ইউনানী (ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন) ব্যবস্থার উন্নয়ন ও এর ব্যবহার বাড়াতে হবে।

১৯নভেম্বর রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ৫ম আয়ুন্স আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা একথা বলেন। আয়ুর্বেদ ও ন্যাচারোপ্যাথি এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আয়ুন্স), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং হামদর্দ বিশ্বাবিদ্যালয়, বাংলাদেশ যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন থাইলেন্ডের উইলালাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ভেরোনেট নিশাপট্রম। ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল মেডিসিন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. পুলক কুমার মূখার্জী।

বক্তারা বলেন, বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, এই প্রাকৃতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও এর আরোগ্য করা সম্ভব। প্লান্টভিত্তিক এই চিকিৎসা তুলনামূলকভাবে কম মূল্যে আমাদের দেশে পাওয়া যায়। তাই এর প্রসার বাড়াতে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক এই চিকিৎসা ব্যবস্থা অনুমোদিত উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০৩২ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য ঠিক করেছে। দেশজ চিকিৎসা ব্যাপকহারে ব্যবহারের মাধ্যমে এই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণূ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আয়ুন্সের প্রেসিডেন্ট ডা. সমীর কুমার সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) গোলাম কিবরিয়া। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর আবদুল মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন প্রফেসর এসএম আবদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর সীতেশ চন্দ্র বাছার, অল্টারনেটিব মেডিকেল কেয়ারের পরিচালক ডা. মনোয়ারা সুলতনা, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক উপদেষ্ঠা  প্রফেসর এম মোজাহেরুল হক প্রমুখ।

Leave a Reply